Advertise your product or brand on this website.Contact Us safelink-generator!

দ্বীনের পথে ফেরার পর: সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ Islamic Dayeri

দ্বীনের পথে হাঁটার চেষ্টা শুরুর পর সবচেয়ে বিশাল যে চ্যালেঞ্জটা আসে তা হলো, নিজ পরিবারের কাছে দাওয়াহ করা, দ্বীনের বিধানগুলোর হাক্বীকত টা তুলে ধরা ।
Islamic dayeri
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

 

Islamic Dayeri Islamic pic
ফাইল ছবি

দ্বীনের পথে হাঁটার চেষ্টা শুরুর পর সবচেয়ে বিশাল যে চ্যালেঞ্জটা আসে তা হলো, নিজ পরিবারের কাছে দাওয়াহ করা, দ্বীনের বিধানগুলোর হাক্বীকত টা তুলে ধরা । বেশিরভাগ সময় পরিবারের লোকজন আমাদেরকে খুব একটা পাত্তা দেয়না বরং উল্টা যেটা হয়, ভালো কথাগুলোও তারা বাঁকা ভাবে নেয় । 

[ad1]

এদের আচরন থাকে অনেকটা এরকম - আরেহ এ কি বলে না বলে এসব কথা … হঠাৎ হুযুর/হুযুরনী হওয়ার ঝোঁক উঠসে । এতদিন তো ভালোই ছিলো । এখন কিসব কথাবার্তা বলে, এগুলো শুনতে হবে কেন ? ও তো সেদিনের বাচ্চা ছেলে/মেয়ে এখন আমাদের দ্বীন শেখাইতে আসছে । আর আমরা কি ইসলাম কম জানি ওর থেকে … ইত্যাদি ইত্যাদি … । 

[ad2]

আমরা ভেবে ভেবে হয়রান হয়ে যাই কেন এরকমটা হচ্ছে !! কেন আমার-ই বাবা-মা, ভাই-বোন, আমার-ই ছেলে-মেয়ে কিংবা নিকট আত্মীয় আমার কথা বুঝতে পারছেনা, আমার কথা শুনছেনা বা মানছেনা ? কেন ??? 

বিজ্ঞাপন 


কুরআন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লা এর জবাব আমাদের দিয়েছেন । আপনি যদি কুরআনে বর্ণিত নবী রাসুলদের দাওয়াহ’র অংশটুকু পড়েন তাহলে দেখবেন, বেশিরভাগ সম্প্রদায় তাঁদের আহবানকে অস্বীকার করার একটা অন্যতম কারণ দেখিয়ে বলেছিলো - তুমি তো আমাদের মতই মানুষ … অর্থাৎ তুমি তো আমাদের নিজেদের পরিচিত চেনাজানা লোক । 

[ad3]

“ তাদের পয়গম্বরগণ বলেছিলেনঃ আল্লাহ সম্পর্কে কি সন্দেহ আছে, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের স্রষ্টা? তিনি তোমাদেরকে আহবান করেন যাতে তোমাদের কিছু গুনাহ ক্ষমা করেন এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তোমাদের সময় দেন। তারা বলতঃ তোমরা_তো_আমাদের_মতই_মানুষ ! “ [ সুরা ইব্রাহীম, ১০ ] 


“ তারা বললো, তোমরা_তো_আমাদের_মতই_মানুষ, রহমান আল্লাহ কিছুই নাযিল করেননি। তোমরা কেবল মিথ্যাই বলে যাচ্ছো ।” [ সুরা ইয়াসীন, ১৫ ]


“ তখন তার সম্প্রদায়ের কাফের-প্রধানরা বলেছিলো - এ_তো_তোমাদের_মতই_একজন_মানুষ_বৈ_আর_কিছু_নয় …” [ সুরা মু’মিনুন, ২৪ ] 


“ ….. যাদেরকে আমি পার্থিব জীবনে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য দিয়েছিলাম, তারা বললো - এতো_আমাদের_মতই_একজন_মানুষ_বৈ_আর_কিছু_নয়।” [ সুরা মু’মিনুন, ৩৩ ] 


এরকম অসংখ্য আয়াত আপনি ঘুরে ফিরে কুরআনে পাবেন যেখানে নবী রাসুলদের (আলাইহিমুস সালাম) প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিলো কারণ তাঁরা নিজের চেনা জানা পরিসরে প্রথম দাওয়াহ শুরু করেছিলেন বলে । একই ঘটনা বা সিলসিলা শেষ নবী মুহাম্মাদ ﷺ পর্যন্ত সত্য হয়েছে । নব্যুয়ত পাবার পর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লা প্রথম তাঁর রাসুল কে নিজ পরিবার পরিসরে সতর্ক করার নির্দেশ দেন এবং নট সারপ্রাইজিংলি খুব অল্প সংখ্যক মানুষই ঈমান এনেছিলো । আবু লাহাব রাসুলুল্লাহ ﷺ এর চাচা হয়েও বেশ বিরক্ত ও তাচ্ছিল্যের সাথে হাত নেড়ে নেড়ে বলেই ফেললো - এসব অদরকারী কথা শোনার জন্য তুমি আমাদের ডেকেছো মুহাম্মাদ ? 

বিজ্ঞাপন 


তো এই যে কুরআনের আয়াতগুলো কিংবা নবীদের সীরাহ তে উল্লেখিত ঘটনা গুলো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লা আমাদের কেন জানিয়েছেন ? কেন ? 


যাতে আমরা ভেঙ্গে না পড়ি … এই রিজেকশন, এই বাঁধা, এই কটু কথাগুলো যেন আমাদের নববী দাওয়াহ’র কথা স্মরণ করিয়ে দেয় । আমরা যেন জেনে নেই, এরকমই তো হবার কথা ছিলো । সত্য দ্বীনের দিকে আহবান করলে, সিরাতুল মুস্তাক্বীমে হাঁটতে গেলে এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হতেই হবে । আমরা কিভাবে আশা করি, যে কথাগুলো বলার কারণে নবী রাসুলগণ নিজ পরিবার, নিজ সম্প্রদায় থেকে বিতাড়িত হয়েছিলেন; আপনি আমি সেকথাগুলো বললে বা সে পথে হাঁটলে কোন বাঁধাই আসবেনা ? সবকিছু একদম smooth যাবে !!!


না কখনই তা হবার নয় … 


তাহলে এক্ষেত্রে করণীয় কি ? প্রথমত একজন ভালো হক্বপন্থী মুজতাহিদ আলেমের শরণাপন্ন হওয়া । তাদের পরামর্শ মেনে চলা । এটাই নিরাপদ রাস্তা । এরজন্য একটু কষ্ট করতে হবে । অনেক বোনরা নানা সময়ে এসব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হলে পরামর্শ চায় । আলেমদের পরামর্শ নিতে বললে তারা মন খারাপ করে । আমাদের সমস্যা হলো, সবকিছু হাতের নাগালে পেতে চাই । দ্বীনের মত একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে ফেইসবুক আপু/ভাইয়াদের সিদ্ধান্ত বা মতামতের আশায় বসে থাকি যদিও এরা বা আমরা কেউই মুজতাহিদ আলেম না । ব্যাপারটা ভীতিকর !! 

বিজ্ঞাপন 


তো শেষ করার আগে একটা অনুরোধ করে যাই । আলেমদের পরামর্শ নেবার চেষ্টা করার পাশাপাশি আমরা যেন নিজ নিজ পরিবারের মানুষগুলোর জন্য প্লাস নিজে যেন বাকি জীবন দ্বীনের উপর অটল থাকতে পারি, সেজন্য অনেক বেশি পরিমাণে দুআ করে যাই । এটি সর্ব পরিস্থিতিতে উত্তম পন্থা । 


অন্তর পরিবর্তনের মালিক যিনি, তিনি যদি আপনার অন্তর দ্বীনের দিকে পরিবর্তিত করে দিতে পারেন তবে নিঃসন্দেহে উত্তম মনে করলে তিনি আপনার পরিবারের মানুষগুলোর অন্তরও ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম । প্রয়োজন শুধু ইখলাসের সাথে দুআ করে যাওয়া । 


নিশ্চয়ই তিনি সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী …


‎اَللَّهـُمَّ مُصَرِّ فَ الْقُلُوبِ صَرِّ فْ قُلُو بَناَ عَلىَ طَا عَتِكَ ‏


- আল্লাহুম্মা মুসাররিফাল ক্বুলুব, সাররিফ ক্বলুবানা আলা ত্ব-আতিক।

অর্থ : হে আল্লাহ ! (আপনি) হৃদয়সমূহের পরিবর্তনকারী ! আমাদের হৃদয়গুলোকে আপনার আনুগত্যের দিকে ঘুরিয়ে দিন । [সহিহ মুসলিম]

সংগ্রহীত 


আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় 

ফেসবুক পেজ :- ইসলামিক ডায়েরি 

ফেসবুক গ্রুপ :- we Are Muslim 

টেলিগ্রাম চ্যানেল :- Islamic Dayeri 

Post a Comment

BlogMaster Logo

Blog Master Ai

Ai দিয়ে SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখেন একদম ফ্রী।

📊 ট্রাফিক বৃদ্ধির গ্যারান্টি ভিজিট করুন
Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.