আমরা যদি আমাদের বীরদের পরিচয় করিয়ে না দিতে পারি জাতির সামনে তাহলে আমাদের মিডিয়া জি/হাদ ব্যর্থ।
হা/মা সের সামরিক শাখার মুখপাত্র হলেন আবু উবায়দা হাফিজাহুল্লাহ।
রাজনৈতিক শাখার প্রধান হলেন ইসমাইল হা/নিয়া।
সামরিক শাখার প্রধান হলেন শেখ মুহাম্মদ দ্বেইফ।
মূলত মুহাম্মদ দ্বেইফের কথাগুলো বের হয় আবু উবায়দার জবান দিয়ে, এ ছাড়াও হুমকি দেওয়া, যুদ্ধের আপডেট দেওয়া মোটকথা সামরিক সব কিছুর ঘোষনা দিবেন সামরিক মুখপাত্র।
রাজনৈতিক বিষয়ে ব্রিফিং দিবেন রাজনৈতিক মুখপাত্র।
এখন যে তু/ফা/নু/ল আক্বসা চলছে এটার মূল মাস্টার হলেন মুহাম্মদ দ্বেইফ, তার পরিকল্পনা মাফিক সব কিছু হচ্ছে।
কিন্তু আমাদের কতিপয় সচেতন ভাই আবু উবায়দাকে মহা বীর বানিয়ে মুহাম্মদ দেইফকে আড়াল করে রাখছে, এটা তাদের না বুঝার কারনে।
কে এই মুহাম্মদ দ্বেইফ?
পর্বঃ এক
আসলে যে কোন আন্ডারগ্রাউন্ড সংগঠন তাদের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের সম্পূর্ণ পরিচয় দেয়না, হা/মা/সের রাজনৈতিক নেতাদের আমরা যতটা জানি তা অনেক বেশী প্রকাশ করেছে এই সংগঠন।
অন্য কোন সংগঠন এই পর্যন্ত তাদের নেতাদের ছবি, পরিচয় প্রকাশ করেনি।
মুহাম্মদ দ্বেইফের বিষয়টা তাই, আল কা/স/সাম তার ইনফো আড়াল করে রাখছে।
মুহাম্মদ দ্বেইফ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক মিডিয়া থেকে শুরু করে ই/সা/রা/ঈল সবাই কৌতুহলী, কিন্তু তারা যা প্রকাশ করেছে এর বাইরে জানা যায়না।
মোহাম্মদ দেইফ খুব কমই কথা বলেন। কখনও জনসমক্ষে উপস্থিত হন না। গত ৭ অক্টোবর শনিবার যখন হা%মাসের টিভি চ্যানেল থেকে ঘোষণা করা হয়: আর কিছুক্ষণের মধ্যেই দেইফ বক্তব্য রাখবেন; ফি#লিস্তিনিরা জানত বড় কিছু ঘটবে।
তাকে হ#ত্যা করতে সাত বার গুপ্ত হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে ইসরায়েল। একবার অল্পের জন্য বেঁচে গেলেও এক পা ও এক চোখ হারান। এর পর থেকে চলাফেরা করেন হুইল চেয়ারে। সর্বশেষ ২০২১ সালেও তাকে হত্যার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ইসরায়েলের বিমান হামলায় সাত মাসের ছেলে, তিন বছরের মেয়ে ও স্ত্রীকে হারিয়েছেন। তিনি হা#মাসের সামরিক শাখা আল-Qaসসাম ব্রিগেডের প্রধান মোহাম্মদ দেইফ।
মোহাম্মদ দেইফ গত ৭-ই অক্টোবর শনিবার ইসরায়েলে অতর্কিত হামলার মূল পরিকল্পনাকারী। গত কয়েক দশক ধরে ইসরায়েলের 'মোস্ট ওয়ান্টেড' ব্যক্তিদের তালিকায় সবার ওপরে আছে তার নাম।
রেকর্ড করা বক্তব্যে দেইফকে বলতে শোনা যায়, 'আজ আল-আকসার ক্রোধ, আমাদের জাতির ক্রোধ বিস্ফোরিত হচ্ছে। হে আমাদের যোদ্ধারা আজ দিনটা আপনাদের বা দুঃখিত বন্ধু আজকের দিনটা আমাদের —আজ এই অপরাধীদের বোঝানোর দিন যে তাদের সময় ফুরিয়ে গেছে।'
হা#মাসের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ২০২১ সালের মে মাসে ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থানে আল আক্বসাতে ইসরায়েলের নৃশংস অভিযানের পর থেকেই হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন দেইফ।
ফি/লি/স্তিনি সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানায়, গা#জায় চলমান ইসরায়েলি বিমান হামলায় যেসব বাড়ি ধ্বংস হয়েছে, এর একটি দেইফের বাবার। হামলায় দেইফের ভাই ও পরিবারের আরও দুই সদস্য নিহত হয়েছেন।
মোহাম্মদ দেইফ সম্পর্কে নতুন করে বিশেষ কিছু জানা যায় না। তার জন্ম ১৯৬৫ সালে গাজার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে। জন্মের পর তার নাম রাখা হয় মোহাম্মদ মাসরি। গাজা তখন মিসরের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে ফি/লি/স্তিনিদের স্বাধীনতার সংগ্রাম 'ইন্তিফাদা' শুরুর পর হা/মা/স প্রতিষ্ঠিত হলে মোহাম্মদ মাসরি তাতে যোগ দেন। হা&মাসে মোহাম্মদ দেইফ ছদ্মনাম দেওয়া হয়, এই নামে পরিচিত হন। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ দেইফ দ্রুত হামাসের সামরিক ইউনিট, আল-কা/সসাম ব্রিগেডে প্রথম সারিতে চলে যান।
হামাসের একটি সূত্র জানায়, দেইফ ১৯৮৯ সালে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন। ওই দফায় প্রায় ১৬ মাস কারাবন্দি থাকেন তিনি। হা*মা*সের নেতা হয়ে ওঠার পর দেইফ বোমা তৈরি ও মাটির নিচে সুড়ঙ্গের জাল বিস্তারের কাজ শুরু করেন।
দেইফ গা*জা*র ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান নিয়ে পড়ালেখা করেছেন।
হা*মা*সের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানায়, আল-কা??সসাম ব্রিগেডের কমান্ডার দেইফ এবং গা#জায় হা#মাসের নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার যৌথভাবে এই হামলার ছক কষেন। তবে এক্ষেত্রে দুই জনের মস্তিষ্ক কাজ করলেও মাস্টারমাইন্ড ছিলেন একজনই।
আর তিনি হচ্ছেন মুহাম্মদ দ্বেইফ হাফিজাহুল্লাহ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা,,,
ফেসবুক পেজ :- ইসলামিক ডায়েরি
ফেসবুক গ্রুপ :- We Are Muslim
টেলিগ্রাম চ্যানেল :- Islamic dayeri
Ai দিয়ে SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখেন একদম ফ্রী।