ইবনুল কাইয়ুম বলেন, " দুনিয়া হল ছায়ার মত! তুমি যদি দুনিয়ার পিছনে দৌড়াও তাহলে কখনোই তা ধরতে পারবেনা। আর তুমি যদি মুখ ফিরিয়ে নাও তাহলে ঐ দুনিয়ায় তোমার পিছনে দৌড়াবে!"
[ad]
অদ্ভুত সত্যি! সারাদিনটা চলে যায় ব্যস্ততায়। হয় টাকার পিছনে নয় দুনিয়াবি কিছু অর্জনের পিছনে। কয়টা কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির স্বার্থে করি?
আরও পড়ুন :- তাহাজ্জুদে চেয়ে পাইনি এমন কিছু নেই |
এত ব্যস্ততার পর দিনশেষে সেই দুনিয়ালোভী মন মানসিকতাটাকে বাঁচিয়ে রেখেই ঘুমিয়ে যাই৷ এমনি করে সারাটা জীবন কেটে যায়। বৃদ্ব অবস্থায় পৌছিয়েও আফসোস থেকে যায় কেন অর্জনটা আরো বেশি করতে পারলাম না! সম্পদের পরিমাণ আরেকটু বেশি হলনা কেন? কেন এটা পেলাম না? কেন ওটা পেলাম না? এত এত আফসোস করতে করতে শেষ পর্যন্ত কবরে গিয়ে পৌছাই। কিন্তু দুনিয়াটা আর পাওয়া হয় না। খালি চাই চাই মানসিকতা । শোকর বা তুষ্ট থাকার মানসিকতাটা কেমন যেন হাওয়ায় উড়ে যায়। এই হচ্ছে দুনিয়ার পিছনে ছোটা.. যার কোন শেষ নেই। কেবল মৃত্যু ছাড়া এই ভ্রম কাটেওনা।
[ad2]
অন্যদিকে দুনিয়ালোভী মনমানসিকতা বাদ দিয়ে সব কাজ যদি আল্লাহর সন্তুষ্টার্থে করতাম! তাহলে দুনিয়াতেও আল্লাহর সন্তষ্টার্থে সবর করতাম। শোকর করতাম যেমন অবস্থায়ই থাকিনা কেন। লক্ষ্য শুধু একটাই থাকত! কেবল জান্নাতে যাওয়া। কেবল রবের সন্তুষ্টি। দুনিয়াবী কাজগুলোরও উদ্দেশ্য হিসেবে রাখতাম কেবল রবের সন্তুষ্টিকে! .... অপ্রাপ্তির বেদনা আর থাকতনা। কারণ, যা চেয়েছি বা চাইতাম তা তো আমার ছিলনা। তাইলে আর না পাওয়ার কষ্ট কিসের??আর যা পেয়েছি তার যোগ্য তো আমি নই। তা ছিল কেবল রবের নিয়ামত আর দয়া।
[ad3]
তখন শোকর করতাম অগণিত এসব নিয়ামতের জন্য। কিন্তু আসলেই কি শোকর করতে পারছি? আল্লাহ মাফ করুক আমাদের গাফিলতি। আমিন
আরও পড়ুন 👇
আফগানিস্তানে আমি আল্লাহকে দেখেছি | পর্ব ১
ইসলামের জন্য কাজ করার দায়িত্ব কার?
মানুষের কাছে কিছু আশা করতে নেই।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা
ফেসবুক পেজ :- ইসলামিক ডায়েরি
ফেসবুক গ্রুপ :- We Are Muslim
টেলিগ্রাম চ্যানেল :- Islamic Dayeri
Ai দিয়ে SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখেন একদম ফ্রী।