Advertise your product or brand on this website.Contact Us safelink-generator!

কে এই মুহাম্মাদ দ্বেইফ? পর্বঃ তিন (৩) | আল্লাহর তলোয়ার |৷ Islamic dayeri

মুহাম্মদ দে%ইফের সামরিক প্রধানের দায়িত্ব লাভঃ ২০০২ সালে হা%মা&সের সামরিক শাখা ই%জ%দ্বীন আল-কা%স%সাম ব্রিগেডের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় দেইফকে
Islamic dayeri
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

 


গত পর্বের পরবর্তী অংশ। 

মুহাম্মদ দ্বেইফ সম্পর্কিত সকল পোস্ট পড়তে এই লিংকে ক্লিক করুন।

পর্বঃ তিন। 


আরেকটি বিষয় যা এতই গবেষণার দাবি রাখে যে, যা বলার বাইরে। 

সেটা হল তারা ই%সরাইলের নাকের ডগায় বসে এতবড় হামলার পরিকল্পনা করল কিন্তু বিশ্বের সব থেকে ব্রিলিয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স মোসাদ টের পেল না, তাদের থেকে স্বয়ং এমরিকা নজরদারি যন্ত্র ক্রয় করে, আড়ি পতার যন্ত্র কিনে থাকে বিশ্বের সবগুলো দেশ। অথচ তাঁরা ঘূর্ণাক্ষরেও টের পেল না, ভাবা যায়! মোসাদ সব কিছুই পারে, মোসাদ মাটির নিচ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে, তারা সব জায়গাতেই আছে এসব হল তাদের পালিত মিডিয়া আর ই***দীবাদী রাইটারদের প্রোপাগান্ডা। 

মোসাদ কাগজে ভাগ এটা প্রমান হয়েছে, তাদের বীরত্বের মূর্তি ভেঙে পড়েছে।  

হ্যা চরিত্রহীন লম্পট জেনারেল, দুনিয়া লোভী আরব শাসকদের হেরেমে সহজেই মোসাদের নারী স্পাই ঢুকতে পারে। কিন্তু যাদের শাহাদাতের নেশায় হল চিরন্তন লক্ষ তাদের কাছে হুরদের প্রেমের কাছে বেশ্যা মহিলাদের চক্রান্ত কাজ করেনা। 


আরেকটি বিষয় আপনাদের সাথে শেয়ার না করে পারছি না, তা হল এই যে তাদের স্যাটলাইট গুলোর কাজ কি তাহলে, টেলিকমিউনিকেশন স্যাটলাইট বাদ দিলে তো এই ছোট্ট ভূখন্ডের উপর ই/স/রায়েলের নজরদারি স্যাটলাইটের অভাব নাই, প্যারাগ্লাইডারের প্রশিক্ষন নিল, টানেল নির্মাণ করল, দুই বছর ধরে প্রস্তুতি নিল কিছুই কি নজরে পড়ল না?

তাহলে কি এটা বলা যায় স্যাটলাইট নামক নজরদারি যন্ত্রের কোন অস্তিত্বই নাই বা একে যেভাবে উপস্থাপন করা হয় সেরকম নয়। 

এমরিকা উপর থেকে সব দেখতেছে, এটাও মুখথুবড়ে পড়ল। 


যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিমা মিডিয়া আর আরবের দালাল মিডিয়া মিথ্যা সংবাদ ছড়িয়েছে যে মিশর নাকি ইসরাইলকে আগেই সতর্ক করেছে, তারা নাকি বলেছে আমরা প্রস্তুত। 

আর গাজাকে ধ্বংস করতেই নাকি হামলার আগাম সংবাদ পেয়ে সুযোগ দিয়েছে তুফানকে বাস্তবায়ন করতে। 

তবে এটা পুরোটাই ডাহা মিথ্যা কথা, এটা তাদের অজয় মূর্তি ধরে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা, মোসাদের ব্যর্থতাকে আড়াল করার চেষ্টা। 


তু&ফানুল আ&ক্বসা আগামী কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত আলোচিত হবে, ইতিহাস রচনা হবে যেমনটা ৯/১১ নিয়ে হয়৷ 

এই স্ট্রাটেজি নিয়ে আলোচনা হবে গবেষণা হবে। 

বিজ্ঞাপন 


ইতিমধ্যে এটার ইফেক্ট পড়া শুরু হয়েছে, আরবের দালালরা চুপ থাকলেও সাধারণ আরবদের মনে ক্ষোভ জন্ম নিয়েছে, যু্বকদের মনে বিদ্রোহের আগুন জ্বলা শুরু হয়েছে৷ 

মুসলিম বিশ্বের আনাচকানাচে তু&ফানুল আক্বসার আলোচনা হচ্ছে, ভুলে যাওয়া আক্বসাকে আবার মনে করিয়ে দিয়েছে তু/ফানুল আক্বসা। মুসলিমরা যে পরাজিত নয় তা বুঝতে পেরেছে, বাংলাদেশের কথায় ধরুন, সাধারন মানুষ এখন টিভির সামনে গিয়ে ফিলিস্তিনের খবর তালাশ করে, যুবকদের মধ্যে দ্বীনে ফেরার হিড়িক পড়বে ইনশাআল্লাহ কেননা উম্মাহর যুবকরা ইসলাম সম্পর্কে জানবে, রক্তাক্ত ফি*লি&স্তিনী শিশুর ছবি দেখে তাদের মনে প্রতিশোধের স্পৃহা জাগ্রত হচ্ছে।


এমরিকা যে কাগজে ভাগ, ষড়যন্ত্রকারী জারজাইল তুরুপের তাস এটা প্রমানিত হল, উম্মাহ শত্রু-মিত্র চিনবে। 

ভয় দূর হবে, যেটা একিউ ৩০ বছর ধরে বলে আসছে সেটা ৯/১১/ ২০০১ পরবর্তী এখন ৭/১০ /২০২৩ প্রমান করে দিল। অর্থাৎ শক্তির ভারসাম্যের যে যুক্তি দিচ্ছে মাদখালিরা এটা একটা গা বাঁচানো যুক্তি, কেননা ১৯৯৯ সালের পরে সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো পরাজিত হয়েছে ভূমিহীন দেশনাই এমন কিছু গেরিলাদের কাছে। অর্থাৎ যতবড় সোপার পাওয়ার ফারাও হোকনা কেন গেরিলাদের কাছে কিছুইনা। 


  আরও পড়ুন,,,, 

আমেরিকার প্রতি চিঠি (বাংলা অনুবাদ) ওসামা বিন লাদেন

 মাদখালি মতবাদঃ এক ভয়ংকর ফিতনার নাম

অ্যামেরিকায় ৯/১১ থেকে ইজরাইলে ১০/৭ : আবেগের আনন্দ নয় বিবেকের বিবেচনা চাই



মুহাম্মদ দে%ইফের সামরিক প্রধানের দায়িত্ব লাভঃ 


 ২০০২ সালে হা%মা&সের সামরিক শাখা ই%জ%দ্বীন আল-কা%স%সাম ব্রিগেডের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় দেইফকে। ই%স&রা&ইলের হাতে পূর্বসুরি সালাহ শেহাদের’র শাহাদাতের পর তিনি এ দায়িত্ব পান। এ দায়িত্ব পাওয়ার আগে থেকেই দীর্ঘদিন ধরে মুহাম্মাদ দেইফ গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে কাজ করেছেন। তারও আগে ১৯৮০’র দশকে তিনি ইসলামি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। বায়োলজির এ ছাত্র ইখওয়ানুল মুসলিমিনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন এবং গাজার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রধান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। বলা হয়ে থাকে, ২০০০ সালে যখন দ্বিতীয় ইন্তিফাদা শুরু হয় তখন তিনি ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হাতে পরিচালিত কারাগার থেকে মুক্তি পান অথবা কারা ভেঙে বের হতে সক্ষম হন। এ ঘটনায় অনেক বেশি ক্ষুব্ধ হয় মানবতার শত্রু ইসরাইল। অথচ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মুহাম্মাদ দেইফের ওপর শকুনের মতো তীক্ষ্ণ নজর ছিল ইসরাইলের। হা&মাসের সামরিক শাখার প্রধান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পরপরই ইসরাইল পঞ্চমবারের মতো হামলা চালিয়েছিল দেইফের ওপর।

বিজ্ঞাপন


 ওই গুপ্ত হামলার লক্ষ্য ছিল চিরদিনের মতো দেইফকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়া। কিন্তু এবারের হামলাও ব্যর্থ হলো। অবশ্য, পঞ্চমবারের হামলায় মুহাম্মাদ দেইফ মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিলেন। হামলার পর গুজব ছড়িয়ে পড়ে তার পা ও দেহের নীচের অংশ প্যারলাইজড হয়ে গেছে যদিও তা কখনো নিশ্চিত হওয়া যায় নি। এরপর তিনি একদমই গোপন কোথাও চলে গেছেন; জনসমক্ষে আর দেখা যায় নি। তার জীবন সম্পর্কেও তেমন বিস্তারিত কিছু জানা যায় না। ২০০২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর মাসে ইহুদিবাদী ইসরাইল অ্যাপাচি হেলিকপ্টার থেকে দেইফের গাড়ি লক্ষ্য করে দুটি হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। সে সময় তিনি এক শোকানুষ্ঠান থেকে ঘরে ফিরছিলেন। আহত হয়ে এ যাত্রাও বেঁচে যান জেনারেল দেইফ। ২০০৩ সালের আগস্ট মাসের কথা। এবারও আরেক হামলা থেকে বেঁচে যান তিনি। সেদিন হা&মা&স নেতা ইসমাইল হা&নিয়া, আল-আউয়াল এবং আধ্যাত্মিক নেতা শেখ ইয়াসিনের সঙ্গে মুহাম্মাদ দেইফ বৈঠক করছিলেন একটি ভবনের নিচ তলায়। ই&হু&দিবাদী ইসরাইল ওই ভবনের ওপরের তলায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। হামলায় সবাই বেঁচে যান তবে সামান্য আহত হন। দফায় দফায় আহত হওয়ার পর শোনা যায় দেইফ তার প্রতিনিধিত্ব দিয়েছেন তারই সহযোগী আহমাদ জাবারিকে। শত্রুদের মধ্যে তার নাম রয়েছে “ক্যাট উইথ নাইন লাইভস”। ধীরে ধীরে গাজার অভ্যন্তরে তার সুনাম-সুখ্যাতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অনেক শক্তভাবে। অতি সম্প্রতি মুহাম্মাদ দেইফের কয়েকটি ছবি পাওয়া গেছে যা ২০ বছর আগের; খানিকটা অস্পষ্টও বটে। এ থেকেই জানা গেল তার অস্তিত্ব। তবে তিনি কোথায় থাকেন তা সাধারণ লোকজন তো বটেই বিশিষ্টজনদেরও অনেকে জানেন না। বলা হয়ে থাকে- শুধুমাত্র হামাসের দু জন নেতা কমান্ডার দেইফের অবস্থান সম্পর্কে জানেন। ধারণা করা হয় তাদেরই একজন হচ্ছেন ইসমাইল হানিয়া। এছাড়া, মনে করা হয় হামাসের এই কমান্ডারের সঙ্গে একমাত্র ইসমাইল হানিয়ার সারসরি যোগাযোগ আছে। তবে সর্বোচ্চ চার পাঁচজন সিনিয়র নেতা ও সামরিক কমান্ডারদের সাথে তার যোগাযোগ থাকতে পারে এর বেশি নয়। 


চলবে...........

পরবর্তী পর্ব পড়তে চোখ রাখুন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা 

ফেসবুক পেজ :- ইসলামিক ডায়েরি

ফেসবুক গ্রুপ :- We Are Muslim

টেলিগ্রাম চ্যানেল :- Islamic dayeri


Post a Comment

BlogMaster Logo

Blog Master Ai

Ai দিয়ে SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখেন একদম ফ্রী।

📊 ট্রাফিক বৃদ্ধির গ্যারান্টি ভিজিট করুন
Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.